এক কথায় প্রকাশ- এ নোটের বাহিরে এক কথায় প্রকাশ প্রায় খুঁজেই পাবেন না

প্রস্তুতি

Total Views: 1079

এক কথায় প্রকাশ যা, প্রদত্ত নোটটি তা।
মানে,এ নোটের বাহিরে এক কথায় প্রকাশ প্রায় খুঁজেই পাবেন না।কয়েকটা বই থেকে নোট করায়--তাই একই প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি হওয়ার জন্য দুঃখিত।আলো আসবে,আলো আনতেই হবে।
.
---Headed by,
---Ekarash Chowdhury Ekram
---বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র(আলোর ইশকুল)



রাজহাঁসের ডাক=ক্রেঙ্কার
অশ্বের ডাক=হ্রেষা
গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
ময়ূরের ডাক =কেকা
সিংহের নাদ =হুঙ্কার
সেতারের ঝংকার =কিঙ্কিনি
বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি =ঝংকার
ধনুকের ধ্বনি =টংকার
.
ক্ষমা করার ইচ্ছা=চিক্ষমিষা
ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা=তিতীর্ষা
গমন করার ইচ্ছা=জিগমিষা
নিন্দা করার ইচ্ছা=জুগুপ্সা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা=জিজীবিষা
পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
হনন করার ইচ্ছা =জিঘাংসা
অনুসন্ধান করার ইচ্ছা =অনুসন্ধিৎসা
অনুকরণ করার ইচ্ছা =অনুচির্কীষা
অপকার করার ইচ্ছা =অপচির্কীষা
উপকার করার ইচ্ছা =উপচির্কীষা
প্রতিকার করার ইচ্ছা =প্রতিচিকীষা
করার ইচ্ছা =চির্কীষা
বাস করার ইচ্ছা =বিবৎসা
.
গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা
বিজয় লাভের ইচ্ছা=বিজিগীষা
প্রবেশ করার ইচ্ছা=বিবক্ষা
বাস করার ইচ্ছা=বিবৎসা
বমন করিবার ইচ্ছা=বিবমিষা
রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা=রিরংসা
আমার তুল্য=সাদৃশ
ইহার তুল্য=ইদৃশ
জয় করার ইচ্ছা =জিগীষা
দেখবার ইচ্ছা =দিদৃক্ষা
.
দেবতার তুল্য=দেবোপম
রন্ধনের যোগ্য=পাচ্য
জানিবার যোগ্য=জ্ঞাতব্য
প্রশংসার যোগ্য=প্রশংসার্হ
ঘ্রাণের যোগ্য=ঘ্রেয়
যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না=দুলঙ্ঘ্য
যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না=দুস্তর
যা বলা হয়েছে=বক্ষ্যমাণ
যা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি=অচিন্তিতপূর্ব
যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব
যা বলা হবে =বক্তব্য
যা বলা হচ্ছে =বক্ষ্যমাণ
যা কথায় বর্ণনা করা যায় না =অবর্ণনীয়
যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না =অনির্বচনীয়
.
বাতাসে চরে যে=কপোত
পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে
যার=জাতিস্বর
সরোবরে জন্মায় যাহা=সরোজ
.
যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান
সকলের জন্য প্রযোজ্য=সর্বজনীন
সকলের জন্য অনুষ্ঠিত =সার্বজনীন
প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন=প্রভাতকল্পা
রাত্রির মধ্যভাগ=মহানিশা
স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=শাস্ত্রজ্ঞ
স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন
যিনি=শাস্ত্রকার
যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন=স্মার্ত
শক্তির উপাসনা করে যে = শাক্ত
এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার=অজাতশত্রু
এখনও গোঁফ-দাড়ি গজায় নাই
যাহার=অজাতশ্মশ্রু
যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়=মাধুকর
অন্যদিকে মন নাই যার=অনন্যমনা
খেয়া পার করে যে =পাটনী
নিজেকে বড় ভাবে যে=হামবড়া
নিজেকে যে নিজেই সৃষ্টি করেছে=সয়ম্ভূ
নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে
(গ্রীষ্মকাল)=নিদাঘ
যা গতিশীল = জঙ্গম
যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই=অবিসংবাদী
স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত
অগ্রিম অর্থ=দাদন
অতি উচ্চ ধ্বনি =মহানাদ
অতিশয় রমণীয়=সুরম্য
.
অগ্র-পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী =আনুপূর্বিক
অবজ্ঞায় নাক উঁচু করে যে=উন্নাসিক
অসির শব্দ=ঝঞ্জনা
অন্ধকার রাত্রি =তামসী
অশ্বের চালক=সাদী
.
ঈষৎ উষ্ণ =কবোষ্ণ
ঈষৎ পাংশু বর্ণ=কয়রা
আকস্মিক দুর্দৈব =উপদ্রব
.
আজীবন সধবা যে নারী=চিরায়ুষ্মতী
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধন=রিকথ
উটের/হস্তীর শাবক=করভ
ঋষির দ্বারা উক্ত(কথিত) =আর্য
ঋজুর ভাব=আর্জব
ঋতুর সম্বন্ধে=আর্তব
ঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য=অনুপান
কালো হলুদের মিশানো রঙ=কপিশ,কপিল
ক্ষুধার অল্পতা=অগ্নিমান্দ্য
.
কৃষ্ণবর্ণ হরিণ=কালসার
কাচের তৈরি ঘর=শিশমহল
কোন বিষয়ে যে শ্রদ্ধা হারিয়েছে=
বীতশ্রদ্ধ
কপালে আঁকা তিলক=রসকলি
কচি তৃণাবৃত ভূমি=শাদ্বল
গৃহের প্রধান প্রবেশ পথ=দেহলি,দেউড়ি
গরম জল=উষ্ণোদক
গর্দভের বাসস্থান =খরশাল
গুরুগৃহে বাস=অন্তেবাসী
.
৯৮.গুরুর পত্নী =গুর্বী
গাধার ডাক=রাসভ
ঘর্ষণ বা পেষণজাত গন্ধ=পরিমল
চোখের কোণ=অপাঙ্গ
জানায় যে=জ্ঞাপক
ছিন্ন বস্ত্র=চীর
জজের বৃত্তি=জজিয়াতী
জলবহুল স্থান =অনুপ,জলা
জানা উচিত =জ্ঞেয়
ত্বরার সঙ্গে বর্তমান=সত্বর
ত্বরায় গমন করে যে=তুরগ
তৃণাদির গুচ্ছ=স্তন্ব
তরল অথচ গাঢ়=সান্দ্র
তোপের ধ্বনি=গুড়ুম
তোমার মত=ত্বাদৃশ
তার মত=তাদৃশ
থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি=ঠমক
.
দেবতা থেকে উৎপন্ন বা
দৈবজাত=আধিদৈবিক
দুরথীর যুদ্ধ =দ্বৈরথ
দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান =দোয়াব
দৈনন্দিন জীবনের লিখিত বিবরণ
=রোজনামচা
দুগ্ধবতী গাভী=পয়স্বিনী
.
নিবেদন করা হয় যা=নৈবদ্য
নির্ভুল মুনিবাক্য=আপ্তবাক্য
নিকৃষ্ট ব্যক্তি =অজন
নিচে জল আছে যার=অন্তঃসলিলা
প্রস্থান করতে উদ্যত =চলিষ্ণু
প্রদীপ শীর্ষের কালি=অঞ্জন
পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
প্রতিবিধান করার ইচ্ছা=প্রতিবিধিৎসা
পাখির ডানা ঝাপটা =পাখসাট
পায়ে হেঁটে যে গমন করে না=পন্নগ
পায়ে হাঁটা =পদব্রজ
ফিকা কমলা রঙ=বাসন্তী
পূর্ণিমার চাঁদ =রাকা
প্রভাতের নবোদিত
সূর্য=বালার্ক
বসন আলগা যার=অসংবৃত
বীজ বপনের উপযুক্ত সময়=জো
বেলা ভূমিকে অতিক্রম =উদ্বেল
বিশেষ ভাবে দর্শন =বীক্ষণ
মেঘের ধ্বনি=জীমূতমন্ত্র
মাথায় টাক=খলতি
যার কিছু নেই=আকিঞ্চন
.
যার দিক থেকে চক্ষু ফেরানো যায়
না=অসেচনক
বলা হতে যাচ্ছে বা হবে=বক্ষ্যমাণ
যাহা উচ্চারণ করিতে কষ্ট হয়=দুরুচ্চার্য
যে স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
যা শুনলে দুঃখ দূর হয়=দুঃশ্রব
যা গমন করে না=নগ
যার স্পৃহা দূর হয়েছে=বীতস্পৃহ
লয় প্রাপ্ত হয়েছে=লীন
শত্রুকে পীড়া দেয় যে=পরন্তপ
শক্তির উপাসনা করে যে=শাক্ত
সুদে টাকা খাটানো=তেজারতি
হস্তী রাখার স্থান =বারী,পিলখানা
হস্তীর চারণভূমি=প্রচার
হত্যা করে যে=হন্তারক
অব্যক্ত মধুর ধ্বনি=কলতান
যার বাসস্থান নেই=অনিকেতন
কর্মে অতিশয় তৎপর =করিৎকর্মা
জয়লাভ করতে অভ্যস্ত যে=জিষ্ণু
জয় করার যোগ্য=জেতব্য
তম দূর করে যে=তমোনাশ
দান করে যে কেড়ে নেয়=দত্তাপহারী
দান করার ইচ্ছা=দিৎসা
ন্যায় শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=নৈয়ায়িক
যে সুপথ থেকে ভিন্ন পথে
গেছে=উন্মার্গগামী
যে পার হতে ইচ্ছুক=তিতীর্যু
যে অট্টালিকা দেখতে সুন্দর=হর্ম্য
যে নদীর জল পূণ্যদায়ক=পূণ্যতোয়া
.
যা বিচারের দ্বারা ঠিক করা যায়
না=অপ্রতর্ক্য
যা মিলিয়ে যাচ্ছে=অপমৃয়মান
শুনতে ইচ্ছুক=শুশ্রুষু
রঘুর পুত্র=রাঘব
হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান
=হাওদা
যা সহজে অপনীত হবার নয়=দুরপনেয়
সন্তানের মত যত্নে=অপত্যনির্বিশেষে
যে রমণীর হাসি পবিত্র=শুচিস্মিতা
.
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় =দুর্নিবার
প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন =প্রভাতকল্পা
রাত্রির প্রথম ভাগ =পূর্বরাত্র
রাত্রির মধ্যভাগ =মহানিশা
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে =ত্রিযামা
রাত্রিকালীন যুদ্ধ =সৌপ্তিক
পরের অন্নে যে জীবন ধারণ করে =পরান্নজীবী
পরকে প্রতিপালন করে যে =পরভৃৎ
শোনা যায় এমন =শ্রুতিগ্রাহ্য
.
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত =বীরা,পুরন্ধ্রী
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে =নবোঢ়া
যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না
=অনন্য
যে নারীর সতীন/শত্রু নেই =নিঃসপ্ত
সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে =সততসঞ্চরমান
যা বার বার দুলছে =দোদুল্যমান
পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে যা =দেদীপ্যমান
যা বপন করা হয়েছে =উপ্ত
.
যার আগমনের কোনো তিথি নেই =অতিথি
সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন
=অসমীক্ষিত
.
কামনা দূর হয়েছে যার =বিতস্কাম
পিতার ভ্রাতা =পিতৃব্য
যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় =সংবর্ত
অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে
=অন্নগতপ্রাণ
মোটাও না,রোগাও না =দোহারা
ঈষৎ কম্পিত =আধত
.
ঈষৎ পাংশুবর্ণ =কয়রা
কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা =দুরতিক্রম্য
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না =দুরতিক্রম্য
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় =দুর্নিবার
অক্ষির সমীপে =সমক্ষ
বেঁচে থাকার ইচ্ছা =জিজীবিষা
যা ক্ষমার অযোগ্য =ক্ষমার্য
রচয়িতার মূল গ্রন্হ হতে যারা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি লিপিবদ্ধ করেন =লিপিকার
গোপন করার ইচ্ছা =জুগুপ্সা
.
যা কষ্টে জয় করা যায় =দুর্জয়
যাহা কষ্টে অর্জন করা যায় =কষ্টার্জিত
যা কষ্টে লাভ করা যায় =দুর্লভ
যা দমন করা কষ্টকর =দুর্দমনীয়
যা সহ্য করা যায় না =দুর্বিষহ
যা সহজে মরে না =দুর্মর
যা সহজে দমন করা যায় না =দুর্দম
যা জয় করা যায় না =অজয়
যা অতিক্রম করা যায় না =অনতিক্রম্য
যাহাতে গমন করা যায় না =অগম্য
যা দমন করা যায় না =অদম্য
যা নিবারন করা যায় না =অনিবারিত
.
জন্মে নাই যা =অজ
যাহাতে সহজে গমন করা যায় না =দুর্গম
কোনো ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না
=অনিবার্য।

আবেদনের শেষ তারিখঃ 2030-12-18

লোকেশনঃ বাংলাদেশ

Source: online