পূবালী ব্যাংক এক্সাম প্রস্তুতি কৌশল- পর্ব ১ ও ২

প্রস্তুতি

Total Views: 554

ব্যাংক জবস প্রস্তুতি

পূবালী ব্যাংক এক্সাম প্রস্তুতি কৌশল-১


**************************
জব এক্সামের নির্দিষ্ট কোন প্রস্তুতি সীমা নেই। সেই শিশু শ্রেণী ( আগে পরিচিত ছিল ছোট ওয়ান) থেকেই শুরু হয়েছে পড়াশোনা তখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু!বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পড়াশোনা মানেই একটি চাকুরি! উদাহরণ স্বরুপ বিসিএস সহ অন্যান্য পরীক্ষায় অনেকবার এসেছে মদনমোহন তর্কালঙ্কার এর #আমার_পণ কবিতার " সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি........ভাল হয়ে চলি। কালক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকানোর পরে এসে সেই শিশু শ্রেণীর কবিতার লেখক মনে করতে হয়। তার অর্থ পুরো শিক্ষাজীবনে কোন না কোন পড়ার লাইন কাজে লাগবে চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে।নির্দিষ্ট কিছু চাকুরির জন্য নির্দিষ্ট প্রস্তুতি নয় বরং কিছু কৌশল জানতে পারলে পরীক্ষায় ভাল করা সম্ভব সাথে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে মেন্টাল প্রস্তুতি ও আক্ষরিক প্রস্তুতিতে অনেকদূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সামনেই বহুল প্রতিক্ষিত পূবালী ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পূবালী ব্যাংকের একজন সাবেক কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে বিএসটিআই'র এক্সামিনার হিসেবে কর্মরত আছেন তাঁর সাথে আলাপ চারিতায় জানতে পারলাম এই ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বচ্ছ। পূবালী ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট কর্মকর্তা নিয়োগে কোয়ালিটির সাথে কমপ্রোমাইজ করে না। ভাল পরীক্ষা দিলে দুর্নীতির কাছে একজন প্রার্থী হেরে যাবেন না, চাকরি তিনি পাবেনই।
ব্যাংক জব প্রিলি. মানেই ম্যাথ আর ইংলিশ! বাকী পার্টগুলোতে গতানুগতিক সবাই নাম্বার তুলতে পারে।
এজন্য জোর দিতে হবে ম্যাথ ও ইংলিশে।
যদি পূর্বের প্রশ্নের ন্যায় এবারেও পূবালী ব্যাংকের প্রশ্ন হয় মানে বরাবরের মত সোস্যাল সায়েন্স অনুষদ
এক্সাম নেয় তাহলে আমি যা করতাম........
#বাংলা:
সমার্থক শব্দ,বিপরীত শব্দ,বাগধারা,শুদ্ধ বানান,বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ,শুদ্ধ উচ্চারণ,ধ্বন্যাত্মক ও দ্বিরুক্ত শব্দ,পারিভাষিক শব্দ, প্রবাদ-প্রবচণ,লিঙ্গান্তর, এক কথায়।
এই টপিকগুলো যেকোন বই থেকে শুধু বিগত সালের প্রশ্ন সলভ করলে অনেক ভাল করা সম্ভব হবে।তবে
এক্ষেত্রে বিসিএস প্রিলির জন্য প্রকাশিত প্রফেসর'স বাংলা বইটা আমার কাছে বেশ সমৃদ্ধ মনে হয়।
#ইংলিশ: পূবালী ব্যাংকের ইংলিশ প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায় প্রায় ৯০% প্রশ্ন এসেছিল অবজেক্টিভ ইংলিশ ( পিয়ারসন) বইটা থেকে! সেজন্য এবারও যদি পূর্বের প্যাটার্ণে প্রশ্ন হয় তাহলে পিয়ারসনের বাহিরে যাবার পসিবিলিটি অনেক কম। এবং এই এক্সামটেকার সবসময়ই ইংলিশের নির্দিষ্ট কয়েকটা টপিক এর প্রশ্ন করে থাকে।
One word Substitutions,Synonym,antonym, Fill in the blunk, Spelling, Analogy,Word pairs having relationship,Rearrangement of jumbled words in sentences.
এই কয়েকদিনে পিয়ারসন ইংলিসের সব প্রশ্ন পড়তে পারবেন না। ওয়ার্ক আউট-১...২..৩ এগুলো থেকে পড়তে পারলে অনেক হেল্প পেতে পারেন।
#ম্যাথ: আগেই বলেছি যদি পূর্বের প্যাটার্ণে প্রশ্ন হয় তাহলে নিচের টপিকগুলোর উপর ভালভাবে দখল নিবেন।
পূর্বের প্যাটার্ণে প্রশ্নগুলো ধারাবাহিক ভাবে দিয়েছিল আগারওয়াল স্যারের ম্যাথ বই থেকে!
Number system, Simplification, Decimal fraction,Sq. root & Cubic root, Average, age,percentage,profit loss,partnership,chaim rules(pipe cistern, time work,), time distance, Boat -streams,train,simple & compound interest, Odd Man Out and series, Mental ability...
বিগত সালের প্রশ্নগুলো এ্যানালাইসিস করলে দেখা যায় আগারওয়াল স্যারের ম্যাথ বইয়ের চ্যাপ্টারের ম্যাথ গুলোতে ইন্ডিয়ান বিভিন্ন পরীক্ষার যে সাল গুলো দেয়া আছে সেই সাল চিহ্নত ম্যাথগুলো হুবহু এসেছে!
সুতরাং দাদা ভাই, দিদি ভাই বুঝতেই পারছেন বৃষ্টি যেদিকে ছাতাও সেদিকে।
#সাধারন_জ্ঞান:
এই পার্টে সবাই নাম্বার তুলবে। আপনি পিছিয়ে থাকবেন কেনো দাদা! হাতের কাছে বাজারে প্রচলিত এমপিথ্রি/প্রফেসরস যেটাই থাকুক না কেনো, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পার্ট থেকে চ্যাপ্টার শেষে যে সালের প্রশ্ন গুলো দেয়া আছে সেগুলো চিবিয়ে খেয়ে পড়ুন দুই দিনে!ব্যাস কিছু লাগবেনা আর।
এরপরও যদি কেউ সাম্প্রতিক প্রশ্ন দু'চারটা মিস করতে না চান তাহলে ডিসেম্বর,জানুয়ারী,ফেব্রুয়ারীর ১০ তারিখ পর্যন্ত সাম্প্রতিক ঘটনাবলী চোখ বুলাবেন।আর হ্যাঁ খিরসাপাতি, ১১ তম সংসদ নির্বাচন,অধিবেশন, স্পিকার-হুইপ এসব মিস করবেন না।
#কম্পিউটার: বাজারে প্রচলিত চাকুরির প্রস্তুতির জন্য প্রচলিত বই থেকে কম্পিউটারের একদম ফান্ডামেন্টাল টপিকগুলো দেখবেন। সাথে ২০১৪-২০১৮ সালের প্রশ্নগুলো দেখলে সবকয়েকটি উত্তর করা সম্ভব হবে।
******************
আমি জানি এত লম্বা পোস্ট পড়ে অনেকেই আনন্দ পাবেন বাট কষ্ট স্বীকার করে স্ট্যাডি করবেন না। যাদের একান্তই ব্যাংকের চাকরি দরকার তাঁরা অবহেলা না করে দাদা, আজ থেকেই এই পোস্টটির উপর প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেনতো..... পূবালীতে না হোক আগামী ১৫ দিন পর নিজের উপর কেমন কনফিডেন্স পান সেটা নিজেই অনুভব করবেন।
অনেকেই পোস্টটি পড়ে প্রশ্ন তুলবে... "আপনি কোন ব্যাংকের কর্মকর্তা?এসব জ্ঞানগর্ভ হোমরা-চোমরা পোস্ট সবাই দিতে পারে"
আমি বলি কী...একজন হাই স্কুলের টিচার যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পরামর্শ দেয়/ স্বপ্ন দেখায় তেমনই আমিও সাহস যুগিয়ে স্ট্যাডি করার পথ দেখালাম মাত্র।
আগামী কাল লিখবো একেবারে নতুন পরীক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের প্রশ্নের মাণ বন্টন ও এক্সাম স্ট্রেটেজি নিয়ে। কাল পর্যন্ত ভাল থাকুন, সুস্থ্য থাকুন.... হ্যাপি রিডিং....
Rezwanul Hoque Palash
Inspector(Metrology)
BSTI, Regional Office,Sylhet.

পূবালী ব্যাংক এক্সাম প্রস্তুতি কৌশল-২
*****************
প্রথমেই বলি ব্যাংকার হতে চান আগে ধৈর্যশীল হোন।কারণ ব্যাংকের চাকরিতে ধৈর্য না ধরে হট মেজাজী হলে আপনার টেবিল থেকে ক্লায়েন্টরা ভাল সেবা পাবেনা। আপনি ক্লায়েন্টদের কাছে হবেন খাইস্টা অফিসার! হা হা হা.... ডোন্ট মাইন্ড ব্রাদার...
নিচের পোস্টটি ধৈর্য নিয়ে পড়ুন:
ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্টের keyPoint হলো টাইম ম্যানেজমেন্ট।প্রিলি - রিটেন উভয় পরীক্ষাতেই টাইম একটা বিশাল ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে। প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর এক্সাম হলে তিন ধরণের ঘটনা ঘটে এক, নতুন পরীক্ষার্থীরা আস্ত একখানা ইংলিশ ভার্সনের প্রশ্নের সাগরে হাবুডুবো খেতে থাকে।বাংলা পার্টটা দিয়ে দাগানো শুরু করে। কনফিউজিং প্রশ্নগুলোতে লোভ ধরে যায় অপশন (ক) নাকি (ঘ)? এমন ধারণা হওয়ায় অনেক টাইম কিল করে বাংলা পার্টেই! এরপর সাধারণ জ্ঞানে দাগ মারা শুরু করে সেখানেও কিছু লোভনীয় প্রশ্ন মনের মধ্যে আটকে যায়। অনেক আগে পঠিত কোন প্রশ্ন স্মৃতির ক্যানভাসে চলে আসে। মনে হয় উত্তর সম্রাট আকবর নাকি বাবর! এখানেও কিছু টাইম খায় কিছু প্রশ্ন। তারপর হাত দেয় ব্যাংক প্রশ্নের ভীতিকর পার্ট ইংলিশে! এমন কিছু কিছু ওয়ার্ডের দেখা পায় যেগুলো জীবনেও চোখে দেখে নি তিনি! এভাবে সব পার্টে স্কিপ করে পরে ফিরে দেখবে বলে।ততক্ষণে সবমিলিয়ে গুণে দেখে ৪০+ টাতেও দাগ পড়েনি! হায় হায় আর মাত্র ১৫ মিনিট বাকি! ম্যাথের ২০ টা/২৪ টা পুরোই বাকি! কান গরম হতে থাকে। অবশেষে তাড়াহুড়ো করে কয়েকটা ম্যাথ করতে করতে আর পাঁচ মিনিট বাকি তখন শুরু হয় প্রশ্ন না দেখেই গোল্লা ভরাট! সবমিলিয়ে ৬০-৬৫ টার বেশি দাগ দিতে পারেনা। রেজাল্টের পর যা হবার তাই হয়।
দুই, কিছু কিছু পরীক্ষার্থী প্রিলি কোয়ালিফাই করার মত যোগ্যতা রাখে। পড়তে পড়তে চেষ্টাও করে প্রচুর কিন্তু প্রিলির বৈতরণী উৎরে যেতে পারেনা। এর কারণ ঐ টাইম ম্যানেজমেন্ট। সব পার্টে সময় দিতে পারেনা এক্সাম হলে। ম্যাথ নিয়ে বেশি মাথা ঘামায়। কঠিন একটা ম্যাথ করে ৩ মিনিট নষ্ট করে অথচ ঐ তিন মিনিটে ১০ টা বাংলা/ইংলিশ /জিকে প্রশ্ন পড়তে পাড়তো। হয়তো দাগাতেও পাড়তো সঠিকভাবে ৫-৬ টা! মানে ৫-৬ মার্কস! যেখানে ০.৫ মার্কস মোস্ট ইমপরটেন্ট!
এক্সাম হল থেকে বের হয়ে প্রশ্ন যখন দেখে বা অন্যদের কাছে শুনে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? তখন নিজের গালে নিজেই কষে একটা চড় মারতে চায়! কারণ সময় নষ্টের কারণে ধরুন ৯৭ নম্বর রাষ্ট্রপতির প্রশ্নটাতে সে যেতেই পারেনি। ফলে প্রিলির গুট্টি তার এবারেও খোলা হলোনা।
তিন, এরাই হলো আসল এক্সাম দেয়া প্লেয়ার। অনেক ব্যাংক এক্সাম দিয়েছে। হাতে গোনা হয়তো দু'তিনটা প্রিলি মিস হয়। কারো কারো মিসও হয়না। এরা সময়ের যথাযথ ব্যবহার করতে শিখে যায় প্রথম ক্যাটাগরির প্রার্থীদের মত ঠেকতে ঠেকতে। অভিজ্ঞতার ঝুলির কারণে পাকা খেলোয়ার হয়ে উঠে এক একজন।
মূল কথায় আসি----
সামনেই পূবালী ব্যাংক এক্সাম। যারা প্রস্তুতিতে একদম নতুন তাঁরা হাত পা ছেড়ে না দিয়ে আমার গতদিনের পোস্টটার উপর স্ট্যাডি শুরু করুন লাভ বৈ লস হবেনা।গ্যারান্টিড...সেটার ফলাফল এত দ্রুত পূবালীতে না পেলেও পরের এক্সাম গুলোতে বেনিফিটেড হবেন।আর সেই সাথে এক্সাম রুমে নিচের স্ট্রেটেজিটা ফলো করতে পারেন...
প্রশ্ন হাতে পাবার পর দ্রুত বাংলা গুলো দাগিয়ে ফেলবেন। কমন গুলো দাগানোর পর মনে পড়ে এমন প্রশ্ন গুলো ফিফটি ফিফটি চান্স নিয়ে প্রথমবার যেটি মনে আসবে সেটাই দাগাবেন।কারণ কোনো না কোনো দিন উত্তরটা পড়েছিলেন হয়তো। ঐ যে, প্রথম প্রেমিকার মুখটা ভুলতে না পারার মত অবস্থা।মনে রাখবেন ব্লাঙ্ক রেখে এসে কোন কালে কেউই টিকতে পারেনি। সেকেন্ডটাইম ব্যাক করে এসে দাগাবেন এমন চিন্তা মাথায় নিবেন না। যদি সময় পান ব্যাক করার তখন দেখবেন প্রশ্ন কঠিন নাকি সহজ! কঠিন হলে যে কয়েকটা বাকী থাকে তখন আর অজানা গুলো দাগানোর দরকার নাই।
এরপর সময় নিয়ে ইংলিশ পার্টটা ভালভাবে পড়ে বুঝে উত্তর করা সম্ভব। অনেক সময় অপশন বাদ দিয়ে দিয়ে সঠিক টা বের করা যায়।
যে প্রশ্নগুলো কমন হবে সেগুলো দ্রুত দাগাতে হবে।ইংলিশ প্রশ্ন কমন হয়। এই পার্টটি চিট গার্লফ্রেন্ডদের মত চিটিং করেনা।
এরপর সাধারণ জ্ঞান, কম্ম্পিউটার অংশে দ্রুত দাগাতে হবে। মনে রাখবেন ব্যাক করে দাগানোর চিন্তা করবেন তো প্রিলি থেকে ছিটকে যেতে পারেন।
প্রথম ঘুরতে গিয়েই অনেকটা কিস করার মত প্রথম দর্শনেই প্রশ্নের উত্তরে কিস মেরে দিবেন। যেগুলো কনফিউজিং মনে হবে সেগুলো ফিফটি চান্স নিতেই পারেন। কারণ ব্যাংক প্রশ্নে ৪ টা ভুলে ১ মার্কস কেটে যায়। এখন আপনি যদি রিস্ক নিয়ে ১০ টা দাগান আর যদি ৪ টা টিকে যায় তাহলে বাকি ৬ টা ভুল ১.৫ মার্ক কেটে গেলেও আপনি ২.৫ মার্কস পাচ্ছেন! বাট ব্লাং রাখলে তো ০ পেতেন ঐ ১০ টা প্রশ্নে! অনেকেই বলতে পারে ১০ টা আন্দাজে মারলেতো মাইনাস ও হতে পারে।আরে দাদা এক্সামে রিস্ক তো নিতেই হবে। নো রিস্ক নো গেইন। তবে হ্যাঁ ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং বাদে কেউ যদি ৫৫-৬০ নম্বর কনফার্ম করে তাহলে তার রিস্ক নেবার দরকার হবেনা।
বাংলা+ইংলিশ+জিকে+কম্পিউটার ৩৫ মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক বৃত্ত ভরাট শেষ করে বাকী ২৫ মিনিটস ম্যাথে দিয়ে খুব ঠান্ডা মাথায় রিলাক্স মুডে চুইংগাম চিবাতে চিবাতে ম্যাথ করতে পারেন। এক্ষেত্রে যতগুলো ম্যাথই থাকনা কেনো সব গুলোতেই চোখ বুলাতে হবে। কারণ আপনি প্রথম ১৫ টা ম্যাথের মধ্যে কঠিন কঠিন পাঁচটা ম্যাথ করতে ১০ মিনিট খেয়ে ফেলেছেন কিন্তু শেষের একটা ১০ সেকেন্ডের ম্যাথ দেখতে পারেন নি! তখন আফসোস হবে। গতবার পূবালী ব্যাংকের প্রশ্নে এমন হয়েছিলো। একটা মেন্টার এবিলিটি দিয়েছিল যেখানে চারটা অপশনের তিনটাই ছিল ব্যাস আর একটা ছিল জ্যা। আমি ঐ প্রশ্নটাই দেখিনি! পরে দেখে সেই আফসোস হয়েছিলো।অবশ্য প্রিলি ফেল করিনি তাই কষ্টটা কম পেয়েছিলাম।
সর্বপরি, একটা কথা, প্রশ্নকর্তা আপনাকে রেইস থেকে আউট করার জন্যই প্রশ্ন করে। প্রথমের দিকের ম্যাথ কঠিন দিলেও মিডিলে বা শেষে কিছু সহজ ম্যাথ থাকবেই। ঘাবড়ে না গিয়ে স্কিপ করে করে ঐ ম্যাথ গুলো পর্যন্ত যেতে হবে। কান গরম করা চলবেনা।
ফ্রিকুয়েন্টলি স্ট্রেটেজি চেন্জ করতে হবে। প্রথমের কয়েকটা ম্যাথ কঠিন দেখলে ম্যাথের শেষ নাম্বার থেকে পিছনে আসুন। পিছনে কঠিন মনে হলে মিডিলে শুরু করুন দেখবেন ফিলিংস পাবেন।
মোট ১০০টা বা ৮০ টা যাই প্রশ্ন থাকুক না কেনো সব প্রশ্ন মনদিয়ে পড়তে হবে।
এতক্ষণ বহু ভ্যাঁজর ভ্যাঁজর করলাম। যারা উপকৃত হবেন স্ট্যাডি করুন আর এক্সাম হলে আপনার প্লান মত এক্সাম দিবেন।
দাদা,যাদের বিরক্ত লাগবে তাঁরা পোস্টটা প্রিন্ট করে পেজটা পুড়ে ছাড়খার করে দিবেন। কারণ পোস্টটা একেবারে নবীনদের জন্য।
হ্যাপি রিডিং......

 

Rezwanul Hoque Palash
Inspector(Metrology)
BSTI, Regional Office,Sylhet.

আবেদনের শেষ তারিখঃ 2019-06-13

লোকেশনঃ বাংলাদেশ

Source: online